আমাদের সম্পর্কে


Sherpur Technical School and College was establist in 1998 and it’s acedmic session run from 2001.  It is situated beside the Sherpur-Mymensingh-Dhaka High way. Total land for the institute is 1.5 acrs. At  starting  , it conducted only Secondary School  Certificate (SSC) vocational and Higher Secondary certifcate (HSC) Vocational courses i four trades namely General electrical works, Computer and information Technology, Dress making and Tailoring and Poultry rearing and farming ant SSC vocational curriculum. In the HSC curriculum it runs four trades also. The trades are Computer maintenance and information Technology, Electrical works and maintenance, Clothing garments and finishing, and poultry rearing and farming.

 

 

 

প্রতিষ্ঠানের নামঃ শেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল কলেজ

প্রতিষ্ঠার সনঃ ১৯৯৭

একাডেমিক কার্যক্রম শুরুঃ ২০০১

 

 

Vission:                 Produce globally employable skills standard to reduce poverty and to develop socio economic condition providing vocational education and training (VET).

 

Mission:               Follow the BTEB curriculum and implement accordingly

·         Change teachers attitude towards CBT&A

·         provide teacher's training on CBT&A

·         Monitoring academic activities regularly

·         setup industry institute relationship or linkage

·         Procure appropriate equipments & machineries and teaching learning materials.

·         take step to institute automation

 

১৯৯৬ সনে বর্তমান সরকারের মেয়াদের সময় কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ করার জন্য এবং দেশ থেকে বেকারত্ব হ্রাসের জন্য কারিগরি শিক্ষার উপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তার প্রেক্ষিতে  যে সমস্ত জেলায় ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নাই সেখানে একটি করে ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট  স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন।  পরবর্তীতে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে শেরপুর টেকনিক্যাল স্কুল কলেজ রাখা হয়।   প্রতিষ্ঠানটি  মাননীয় হুইপ জাতীয় সংসদের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আতিউর রহমান আতিক  মহোদয়ের  একান্ত  প্রচেষ্টার মাধ্যমে নবীনগরে স্থাপন  করা হয়।

 

এক নজরে শেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল কলেজ

 

মোট জায়গাঃ     . একর ( তন্মধ্যে  ২২ শতাংশ জমির উপর জেলা শিক্ষা অফিস এবং শিক্ষা প্রকৌশল অফিস এর কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে)

 

একাডেমিক প্রশাসনিক ভবনঃ  ১টি ( ৪তলা বিশিষ্ট)

ক্র.নং.

বিবরণ

সংখ্যা

 

ক্লাশ রুম

০৮টি

 

ওয়ার্কসপ/ল্যাব

১৩টি

 

লাইব্রেরী

০১টি

 

অফিস কক্ষ

৪টি

 

বিভাগীয় প্রধানের অফিস

০২টি

 

শিক্ষক মিলনায়তন

০৩টি

 

জেনারেটর রুম

০১টি

 

গার্ড সেড

০১টি

 

পোল্ট্রি সেড

০১টি

 

১০

সাইকেল স্ট্যান্ড

০১টি

 

১১

খেলার মাঠ

০১টি

 

১২

রোভার/স্কাউট/গেমস রুম

০১টি

 

১৩

স্টোর রুম

০১টি

 

১৪

কমন রুম (মেয়েদের)

০১টি

 

১৫

স্টাফ রুম

০১টি

 

 

প্রতিষ্ঠানে চালুকৃত কোর্স সমুহ( দুই বৎসর মেয়াদি)

· এস.এস.সি. (ভোকেশনাল

· এইচ.এস.সি ( ভোকেশনাল)

 

এস.এস.সি (ভোকেশনাল) কোর্সে চালুকৃত  ট্রেড সমুহ আসন সমুহ

ট্রেডের নাম

আসন সংখ্যা

সর্বমোট

১ম শিফট

২য় শিফট

কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি

৪০

৪০

৮০

ড্রেস মেকিং এন্ড টেইলরিং

৪০

৪০

৮০

জেনারেল ইলেকটিক্যাল ওয়ার্কস

৪০

৪০

৮০

পোল্ট্রি রিয়ারিং এন্ড ফার্মিং

৪০

৪০

৮০

মোট

১৬০

১৬০

৩২০

 

 

এইচ.এস.সি (ভোকেশনাল) কোর্সে  চালুকৃত ট্রেড সমুহ এবং আসন সংখ্যা

ট্রেডের নাম

আসন সংখ্যা

সর্বমোট

কম্পিউটার ইনফরমেশন টেকনোলজি

৪০

৪০

ক্লদিং এন্ড গার্মেন্টস ফিনিশিং

৪০

৪০

ইলেকটিক্যাল ওয়ার্ক এন্ড মেইনটেনেন্স

৪০

৪০

পোল্ট্রি রিয়ারিং এন্ড ফার্মিং

৪০

৪০

মোট

১৬০

১৬০

 

২০১৬-১৭ শিক্ষা বর্ষ থেকে  প্রকৌশল ডিপ্লোমা শিক্ষাক্রম ( বৎসর মেয়াদি)

 চালুকৃত  টেকনোলজি সমুহ

টেকনোলজির নাম

আসন সংখ্যা

ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

মন্তব্য

কম্পিউটার টেকনোলজি

৫০

৫০

প্রকৌশল ডিপ্লোমায় কেবলমাত্র একটি শিফট চালু আছে।

ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি

৫০

৫০

বিভিন্ন সনে  ভর্তিকৃত মোট শিক্ষার্থী   সংখ্যাঃ

সন

ভর্তিকৃত  শিক্ষার্থীর সংখ্যা

২০০১

৮৮

২০০২

১৫৬

২০০৩

১৩৬

২০০৪

২৪৬

২০০৫

৪২৫

২০০৬

৫২৯

২০০৭

৫৮৯

২০০৮

৫৯৫

২০০৯

৬৮৮

২০১০

৬৫৯

২০১১

৬২৯

২০১২

৬৪৩

২০১৩

৬৪৭

২০১৪

৬২০

২০১৫

৭১৪

২০১৬

৭৫৭

২০১৭

 

২০১৮

 

 

এস.এস.সি  (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফল

সন

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার(%)

২০০৩

৬৬

৩০

৪৫

২০০৪

৬৬

৪০

৬১

২০০৫

৭১

৪০

৫৬

২০০৬

১২৭

৮৩

৬৫

২০০৭

২১২

১২২

৫৮

২০০৮

৩২৫

২৭৭

৮৫

২০০৯

২২২

২০৪

৯২

২০১০

২৪১

২০৬

৮৫

২০১১

২৫১

২২১

৮৮

২০১২

২৩৬

২২৪

৯৫ (জিপিএ , ০৫জন)

২০১৩

১৬০

১৩৭

৮৫ (জিপিএ৫ প্রাপ্ত-৫জন)

২০১৪

২১০

১২৬

৬০ (জিাপএ প্রাপ্ত-৩জন)

২০১৫

২৪০

২১৪

৮৯ (জিপিএ -০১ জন)

২০১৬

 

 

 

2017

 

 

 

2018

 

 

 

 

 

এইচ.এস.সি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ফলাফল

সন

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার(%)

২০০৫

১০

০৬

৬০

২০০৬

৩৩

১৭

৫২

২০০৭

৩২

০৮

২৫

২০০৮

৫৩

২৭

৫১

২০০৯

৬৫

৪৬

৭১

২০১০

১৪৪

৮৭

৬০

২০১১

১৪৪

১১৬

৮১

২০১২

৯৫

৬৮

৭২

২০১৩

১৪৪

৪১

২৮

২০১৪

২১৮

১৭৮

৮২

২০১৫

১১৪

৭৩

৬৪

2016

 

 

 

2017

 

 

 

2018

 

 

 

 

() শিক্ষক/কর্মকর্তা সংখ্যা

সৃষ্ট পদের নাম

গ্রেড

জাতীয় বেতন স্কেল

মোট সৃষ্ট পদ

কর্মরত

শূন্য পদের সংখ্যা

সংরক্ষিত পদের সংখ্যা

 

অধ্যক্ষ

৫ম

৪৩০০০-69850

০১

০১

-

০১

 

চীফ ইনস্ট্রাক্টর

) ইলেকট্রিক্যাল-০১টি

) কম্পিউটার-০১টি

) ড্রেস মেকিং০১টি

) পোল্ট্রি-০১টি

৬ষ্ট

৩৫৫০০- ৬৭০১০

০৪

০২

০২

০২

 

ইনস্ট্রাক্টর(টেক)

) ইলেকট্রিক্যাল-০১টি

) কম্পিউটার-০১টি

) ড্রেস মেকিং০১টি

) পোল্ট্রি-০১টি

৯ম

২২০০০-৫৩০৬০

০৪

০১

০৩

০২

 

ইনস্ট্রাক্টর (নন টেক)

) গণিত-২টি

) পদার্থ-০১টি

) রসায়ন-০১টি

) বাংলা-০১টি

) ইংরেজি-০১টি

 

৯ম

২২০০০০- ৫৩০৬০

০৬

০২

০৪

০৬

 

জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর(টেক)

) ইলেকট্রিক্যাল-০২টি

) কম্পিউটার-০২টি

) ড্রেস মেকিং০২টি

) পোল্ট্রি-০২টি

১০ম

১৬০০০- ৩৮৬৪০

০৮

০৪

০৪

০৮

 

মোট

 

 

২৩

১০

১৩

১৯

 

 

 

()         কর্মচারীর সংখ্যা

ক্র. নং

সৃষ্ট পদের নাম

মোট সৃষ্ট পদ

কর্মরত

শূন্য পদের সংখ্যা

০১

প্রধান সহকারী

০১

০১

-

০২

উচ্চমান সহকারী

০১

০১

-

০৩

লাইব্রেরীয়ান

০১

০১

-

০৪

হিসাব রক্ষক

০১

০১

-

০৫

অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর/কন্ট্রোল অপারেটর

০১

০১

_

০৬

অফিস সহায়ক

০৫

০৫

-

 

মোট

১০

১০

 

 

 

অন্যান্য কোর্স সমুহ

· অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয় কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন কোর্সসমুহঃ

বর্তমান সরকার অদক্ষ জনসম্পদকে দক্ষ জন সম্পদে গড়ে তোলার জন্য বেকারত্বের হার  কমানোর জন্য সারা দেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে  অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয় সরকারি বেসারকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহন করে। উক্ত মন্ত্রনালয় "স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট এন্ড ইনভেষ্টমেন্ট প্রোগাম( এসইআইপি)" এর মাধ্যমে প্রথম ফেজে ২৬০০০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহন করেন। তার প্রেক্ষিতে শেরপুর টেকনিক্যাল স্কুল কলেজে আগামী ডিসেম্বর ২০১৭ সালের মধ্যে ১৫০০ প্রশিক্ষনার্থীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের  জন্য অর্থ মন্ত্রনালয়েরে সাথে স্মারক চুক্তি করা হয়।

দ্বিতীয় তৃতীয় ফেজের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ১০ বৎসর  পর্যন্ত চলবে।

 

প্রস্তাবিত মানব সম্পদ উন্নয়ন তহবিল(NHRDF) নামে প্রকল্পটি অর্থ মন্ত্রনালয় এর অর্থ বিভাগের " স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেষ্টমেন্ট প্রোগাম (এসইআইপি)" বাস্তবায়ন করছে। ২২টি  মন্ত্রনালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

 

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মহিলা, প্রতিবন্ধী সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠির জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করা, সংক্রান্ত প্রতিযোগিতামূলক বাজার সুষ্টি করা প্রশিক্ষণ ব্যয় হ্রাস করা। সেই সাথে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ এবং প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের মধ্যে মেল বন্ধন সৃষ্টি করা।

 

· প্রশিক্ষণের  উল্লেখযোগ্য দিক হলোঃ

 

·         প্রশিক্ষণ গ্রহণের সময় প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থী প্রতিদিন যাতায়াতের জন্য শর্তসাপেক্ষে ১০০টা করে যাতায়াত খরচ দিবে

·         প্রতিষ্ঠান কর্তৃক জব প্লেসমেন্ট অফিসারের মাধ্যমে চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে।

·         SDG  বাস্তবায়নে  প্রোগ্রাম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

 

· কাদের জন্য প্রশিক্ষণ

অসহায়, দুস্থ, গরিব উপজাতি এবং যাদের কাজ করার আগ্রহ রয়েছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে চাকুরীর মানসিকতা রয়েছে। মহিলা এবং প্রতিবন্ধী যুব /যুবাদেরকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে ৩০% আসন সংরক্ষিত থাকবে।

 

প্রশিক্ষণের মেয়াদঃ  প্রশিক্ষণের মেয়াদ ৪মাস বা ৩৬০ ঘণ্টা। পতি বৎসর তিনটি ব্যাচ ভর্তি করা হয়।

 

· প্রশিক্ষণ ধরণঃ

প্রতি সপ্তাহে ২৪ ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাস বা মোট ৩৬০ঘন্টা প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ বিনা ফিতে প্রদান করা হয়।

 

· মূল্যায়নঃ

প্রশিক্ষণ শেষে  বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহনের মাধ্যমে সনদায়ন করা হবে। NTVQF   এর আওতায় CBT&A সিস্টেমে মূল্যায়ন করা হবে।

 

অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয় কর্তৃক পরিচালিত শেরপুর টেকনিক্যাল স্কুল কলেজ কর্তৃক বাস্তবায়িত শর্ট কোর্স  ( মাস মেয়াদী) সমুহঃ

 

কোর্সের নাম

আসন সংখ্যা

মন্তব্য

ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৬০

 

·      ট্রেঞ্চ-

·      কোর্সের মেয়াদ ৬মাস বা ৩৬০ ঘন্টা

·      প্রতি বৎসর ২টি ব্যাচ ভর্তি করা হয়

গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টি মিডিয়া

৬০

আইটি সাপোর্ট সার্ভিস

৬০

মিড লেভেল সুপারভাইজার

৬০

ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৬০

মোট

৩০০

 

প্রতি বৎসর

৬০০ জন

 

 

 

কোর্সের নাম

প্রতি ব্যাচে আসন সংখ্যা

মন্তব্য

ইলেকট্রিক্যাল ইনস্টলেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৩০

 

·      ট্রেঞ্চ-

·      কোর্সের মেয়াদ- ৪মাস বা ৩৬০ ঘণ্টা

·      প্রতি বৎসর ৩টি ব্যাচ ভর্তি করা হয়

গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টি মিডিয়া

৩০

আইটি সাপোর্ট সার্ভিস

৩০

মিড লেভেল সুপারভাইজার

৩০

ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৩০

মোট

১৫০

 

প্রতি বৎসর

৪৫০জন

প্রতি বৎসর ৩টি ব্যাচে প্রশিক্ষনার্থী ভর্তি করা হয়

 

ভর্তির সময়ঃ ডিসেম্বর, এপ্রিল আগষ্ট প্রতি বৎসর

· ১ম ২য় ব্যাচের ফলাফল

(জুলাই -ডিসেম্বর ২০১৫ সেসন)

কোর্সের নাম

পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের সংখ্যা

পাশের হার(%)

ইলেকট্রিশিয়ান

36

32

৮৯

গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টি মিডিয়া

48

48

১০০

আইটি টেকনিশিয়ান

47

46

৯৮

মিড লেভেল সুপারভাইজার

45

45

১০০

ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

48

48

১০০

মোট

224

219

৯৭.৭৭

 

· জানুয়ারি-জুন ২০১৬ সেসন এর প্রশিক্ষণার্থীর  পরিসংখ্যান

 

কোর্সের নাম

ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

রেজিস্ট্রেশনকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

ইলেকট্রিশিয়ান

৬২

৬২

গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টি মিডিয়া

৬৭

৬৭

আইটি  সাপোর্ট টেকনিশিয়ান

৬৬

৬৬

মিড লেভেল সুপারভাইজার

৫৯

৫৯

ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৬৩

৬৩

মোট

৩১৭

৩১৭

 

·         জুলাই ২০১৫- ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত   প্রশিক্ষণ প্রদান করা  হয়েছে

 

কোর্সের নাম

ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীর সংখ্যা

জব প্লেসমেন্টের হার

ইলেকট্রিশিয়ান

৩০০ জন

৭১%*

 

গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড মাল্টি মিডিয়া

৩০০

আইটি  সাপোর্ট টেকনিশিয়ান

৩০০

মিড লেভেল সুপারভাইজার

৩০০

ইন্ডাষ্ট্রিয়াল সুইং মেশিন অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স

৩০০

মোট

১৫০০

 

 

·         ভবিষ্যতে ড্রাইভিং কোর্স, লং কোর্স অন্যান্য শর্ট কোর্স চালু করার  পরিকল্পনা আছে।

 

ইনস্টিটিউটকে আধুনিকীকরনের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রি একনেকে প্রকল্পটি পাশ হয়েছে।